ই-পেপার

পুরোনো চুক্তির বোঝা বড় সংকট মনে করছে সরকার

প্রকাশ : ৭ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ |

বিগত সরকারের সময় নেওয়া প্রকল্প ও উচ্চমূল্যের বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তির আর্থিক বোঝা এখন দেশে এই খাতের অন্যতম বড় সংকট বলে মনে করছেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

 তাদের মতে, আগের সরকারের নীতি ও চুক্তির কারণে সরকারকে একদিকে বাড়তি দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে, অন্যদিকে বিপুল অঙ্কের আর্থিক দায় বহন করতে হচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

গতকাল সোমবার পৃথক অনুষ্ঠানে তারা এসব কথা বলেন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) আয়োজিত নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎমন্ত্রী।

 এদিকে, বিদ্যুৎ ভবনে চলমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী। বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের অধিকাংশ প্রকল্পে জনস্বার্থের বদলে গোষ্ঠীগত স্বার্থ প্রাধান্য পেয়েছিল। বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ বেসরকারি খাত থেকে আসছে এবং আগের চুক্তির কারণে সরকারকে তুলনামূলক বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকার বকেয়া দায় পরিশোধ করতে হচ্ছে। তবে অতিরিক্ত উৎপাদন ব্যয়ের পুরো বোঝা ভোক্তার ওপর চাপানো হবে না বলে তিনি জানান।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, আগামী পাঁচ বছরে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। রুফটপ সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আগের সরকারের করা চুক্তিগুলো রাষ্ট্রের স্বার্থ যথাযথভাবে রক্ষা করেনি। 

তবে এগুলো সার্বভৌম চুক্তি হওয়ায় একতরফাভাবে বাতিল করা সম্ভব নয়। তাই আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ বলেন, পুরোনো চুক্তি বাতিল করলে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের বিদ্যুৎ ঘাটতি তৈরি হতে পারে। তাই বিদ্যুৎ সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

বিষয় : বিদ্যুৎ
সব খবর

আর্কাইভ

July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031