দেশজুড়ে

মেয়ে হত্যার আসামী পিতা ইমরান গ্রেফতার

প্রিন্ট করুন

সাজ্জাদ বিন লাল / আব্দুল হামিদ,বানিয়াচং থেকে। বানিয়াচংয়ে ব্রিজের নিচে জলাশয় থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা তিন দিন পর পিতা ইমরানকে গ্রেফতার করেছে বানিয়াচং থানা পুলিশ।
গত শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) বানিয়াচং থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সাবেক ট্রাক চালক স্বামী ও তার এক সহযোগীকে আসামি করে বানিয়াচং থানায় একটি হত্যা মামলা শিশুটির মা। এরই জের ধরে  পুলিশ সুপার আক্তার হোসেন বিপিএমের
নির্দেশে বানিয়াচং সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  পলাশ রঞ্জন দে এর তত্ত্বাবধানে দ্রুত মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামী গ্রেফতারে মাঠে নামে বানিয়াচং থানা পুলিশ।
এরই সূত্র ধরে বানিয়াচং থানা পুলিশ মামলা রুজু হওয়ার তিনদিন পর মামলার প্রধান আসামি  শিশু এ্যানির পিতা ইমরান আহমদ (৩০), কে দোয়ারাবাজার থানাধীন  সীমান্তবর্তী এলাকার অন্তর্গত প্রতাপপুর দোহালিয়া বাজার হইতে গ্রেফতার করে।


জানা যায়, গত ৩০ জানুয়ারি বানিয়াচং উপজেলায় শুটকি নদীর শাখায় কাগাপাশা ব্রিজের নিচে এক শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন বেওয়ারিশ হিসেবে শিশুটিকে দাফন করা হয়। দাফনের পর গণমাধ্যমে ছবি দেখে মা এসে এনিকে শনাক্ত করে তার সাবেক স্বামীসহ দুজনের নামে মামলা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বানিয়াচং থানার (ওসি) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন বলেন, এক পুত্রসন্তানসহ ইমরানকে বিয়ে করেছিলেন ইয়াসমিন। এরপর শিশু এনির জন্ম হয়। কয়েক বছর সংসার করার পর দুজনের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তবে ইমরান তার শিশুর ভরণপোষণের জন্য প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা পাঠাবেন বলে সিদ্ধান্ত ছিল। যে টাকা ইমরান স¤প্রতি পাঠাচ্ছিলেন না। এ নিয়ে দুজনের ঝগড়া হয় এবং ইমরানকে ইয়াসমিন জানান তার মেয়ে অসুস্থ, তাকে চিকিৎসা করাতে হবে।

পরে চিকিৎসা করানোর কথা বলে গত ২৯ জানুয়ারি রাতে ইয়াসমিন ও মেয়ে এনিকে ট্রাকে তুলে নেন ইমরান। সিলেট থেকে ট্রাকটি বানিয়াচংয়ের কাগাপাশা ব্রিজে উঠলে মেয়েকে ছুড়ে পানিতে ফেলে দেন। এরপর ইয়াসমিনকে নবীগঞ্জের একটি রাস্তায় নামিয়ে দিয়ে ইমরান তার আরেক সহযোগীকে নিয়ে পালিয়ে যান। (ওসি) বলেন, বাদীর অভিযোগ আমলে নিয়ে ইমরানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 


Related Articles

Back to top button
Close