দেশজুড়েবানিয়াচং

বানিয়াচংয়ে মামলা তুলে নিতে গ্রাম পুলিশকে হুমকি!!

প্রিন্ট করুন

স্টাফ রিপোর্টারঃ-বানিয়াচংয়ে মামলা তুলে নিতে ১নং ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ বাবুল মিয়াকে প্রতিপক্ষের লোকজনের হুমকি!!

হুমকির বিষয়ে পুনরায় মামলা দায়েরের পরও থামছেনা প্রতিপক্ষের লোকজনের হামলার পরিকল্পনা।

মামলা সূত্রে জানা যায়,প্রায় ১৩ বছর পূর্বে ইসলামি শরীয়তের বিধানমতে উপজেলার ১নং ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামের মাফিক উল্লার মেয়ে রুহেনা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন সৈদ্যটুলা গ্রামের চান্দ উল্লা মিয়ার পুত্র গ্রাম পুলিশ বাবুল মিয়া।এক যুগের অধিক সময় ধরে আদর্শ গ্রামের বড় সড়কে স্ত্রী রুহেনা বেগমকে নিয়ে সংসার করে আসছিলেন বাবুল মিয়া।গ্রাম পুলিশের দফাদার পোস্টে চাকরি করে যা সঞ্চয় করেছিলেন সবই স্ত্রীর কাছে জমা রাখতেন তিনি।হঠাৎ একদিন সবার অগোচরে পরকীয়া প্রেমিক আদর্শ গ্রামের শাহ আলমের সাথে পালিয়ে যান রুহেনা।পালিয়ে যাওয়ার সময় বাবুল মিয়ার রক্ষিত সঞ্চয়ের ১লাখ টাকা,১ভরি স্বর্ণ,টাচ মোবাইলসহ জিনিসপত্র নিয়ে যায়।এবিষয়ে গত ২০২১সালের ১২মে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-৪ এ বাবুল মিয়া বাদী হয়ে স্ত্রীর প্রেমিক শাহ আলম,শাশুড়ী হনুফা বিবি,স্ত্রী রুহেনা বেগমকে অভিযুক্ত করে সিআর ২০৭/২১ইং(বানি)একটি মামলা দায়ের করেন।এরপর থেকে স্ত্রীর প্রেমিক শাহ আলম রাস্তাঘাটে বাবুল মিয়াকে মারধোর করার হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।বিষয়টি স্থানীয় এলাকাবাসীকে অবগত করে হামলার হুমকির ঘটনায় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত(২) হবিগঞ্জে ৮০৬/২২(বানি) আরেকটি মামলা দায়ের করেন অসহায় গ্রাম পুলিশ বাবুল মিয়া। হুমকির ঘটনায় আদালতে এমামলাটি দায়েরের পরও থামছেনা প্রতিপক্ষের লোকজনের হুমকি।

ভূক্তভোগী বাবুল মিয়া জানান, ম মলা দায়েরের পরও আমাকে মারধোর করতে প্রতিদিন রাস্তাঘাটে ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উৎ পেতে থাকে আমার স্ত্রী রুহেনার প্রেমিক শাহ আলমসহ তার লোকজন।আমি ভয়ে এখন ১নং ইউনিয়ন অফিসের বারান্দায় বসে বসে রাত কাটাই।দুর্ধর্ষ শাহ আলমের কাছ থেকে বাঁচতে আমি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগীতা কামনা করছি।

হুমকির বিষয়ে জানতে মোঃ শাহ আলমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে,সাংবাদিক শুনে তিনি কল কেটে দেন এবং মোবাইল সুইচ বন্ধ করে দেন।


Related Articles

Back to top button
Close