দেশজুড়ে

বানিয়াচংয়ে শিক্ষক কামাল হুসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি দুদকে অভিযোগ

প্রিন্ট করুন

হবিগঞ্জের সংবাদ অনলাইন ডেস্ক,
বানিয়াচং উপজেলার বক্তারপুর আবুল খায়ের উচ্চ বিদ্যালয়ের এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক মোঃ কামাল হুসেনের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা দুদকসহ বিভিন্ন সেক্টরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ।

অভিযোগে জানা যায়, ২০২১ সালে ডিসেম্বর মাসে অষ্টম শ্রেণির ফরম পুরণ ও রেজিষ্ট্রেশন বাবদ প্রতি ছাত্র -ছাত্রী কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায় করেন। গত ডিসেম্বর মাসে এমপিও আবেদন বাবদ উক্ত বিদ্যালয়ের (নৈশ প্রহরী) জাহেদ হাসান জয়, এর কাছ থেকে (১৫,০০০/ পনের হাজার টাকা) নিয়েছেন এবং মোছাঃ রুবনা বেগম (আয়া) কাছ থেকে ২০, ০০০/ বিশ হাজার টাকা দাবি করেন।

যা কোন ভাবে বৈধ নয় এবং প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিচ্ছেন যা প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর। প্রধান শিক্ষক কামাল হুসেন নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না যা নিয়ম বহিভৃত।

বক্তার পুর আবুল খায়ের উচ্চ বিদ্যালয়ের এন্ড কলেজে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা মিলে প্রধান শিক্ষক কামাল হুসেনকে উক্ত বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে পদত্যাগ দাবি করেছেন ।

এই অভিযোগ’টি দায়ে করেন ওই বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক কদুপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম শেকুল। জেলা প্রশাসন, দুর্নীতি দমন কমিশন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বরাবরে অভিযোগ দেন তিনি ।

প্রধান শিক্ষক ভুয়া ভাউচার তৈরি করে নিজেই বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব করেন। রশিদ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে বেতন আদায় করে ওই টাকা হিসাব বইতে জমা না করার অভিযোগ রয়েছে। ৮ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনের সময় অতিরিক্ত টাকা ও এসএসসির ফরম ফিলাপের সময় অতিরিক্ত সভা না নেয়ার বিষয়টি অভিযোগে রয়েছে।

ব্যাক ডেটে রেজুলেশন করার অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি অনুমতি নিয়ে কাজ না করা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, ৮ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনের ফি ১০০ টাকার পরিবর্তে থেকে ৫০০ টাকা আদায় করা হয় ও ৯ম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনের ফি ৪০০ টাকার পরিবর্তে ৫০০ টাকা আদায় করা হয়।

এছাড়াও এসএসসি ফরম ফিলাপের ফি সাড়ে তিন হাজার থেকে শুরু করে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করে থাকেন প্রধান শিক্ষক কামাল হুসেন।

এছাড়াও ব্যক্তিগত স্বার্থ দেখিয়ে মিটিংয়ে নিয়মিত উপস্থিতি থাকছেন না বিদ্যালয়ের আয় ব্যায় এর দিচ্ছেন প্রধান শিক্ষক। এতে শিক্ষার্থীদের নানা সমস্যার পড়তে হয়।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো.কামাল হুসেন বলেন, আমার নামে সব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। বিদ্যালয় পরিচালনা এডহক কমিটির সদস্যরা জানান প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানান তথ্য বেরিয়ে আসছে ।

বানিয়াচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাওছার শুকরানা দৈকিক আমার হবিগঞ্জ কে জানান অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত না করে কিছু বলতে পারছি না। তবে শুনেছি তদন্তে সত্যতা পাওয়া ।

এ বিষয়ে বানিয়াচং উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ জানান, অভিযোগ দায়ে এর বিষয়টি আমি সঠিক জানি না, অভিযোগটি দেখে আপনাকে পরে বিস্তারিত জানাবো ।


Related Articles

Back to top button
Close