দেশজুড়ে

সীমান্তে নজরদারি : চুনারুঘাটের বাল্লা দিয়ে পালাতে পারে রনি

প্রিন্ট করুন

হবিগঞ্জের সংবাদ ডেস্ক। সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে নববধূকে গণধর্ষণ মামলার আসামিদের গ্রেফতারে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

জানা গেছে, আসামিদের ধরতে সীমান্ত এলাকায় সর্তকবার্তা পাঠানোর পাশাপাশি জেলা পুলিশ ও মহানগর পুলিশের আওতাধীন সব থানাকে সর্তক থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণ মামলার আসামিদের গ্রামের বাড়িতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এছাড়া সম্ভাব্য বিভিন্নস্থানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশের একাধিক টিম। ধর্ষণকারীদের গ্রেফতারের ইতিমধ্যে মহানগর পুলিশের সাতটি টিম বিভিন্ন ধাপে কাজ করে যাচ্ছে।

ইতিমধ্যে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আজ রোববার সকাল ৮টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রধান আসামি ছাত্রলীগ নেতা এম. সাইফুর রহমানের পর এবার চার নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

রোববার সকালে হবিগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে সাইফুর রহমানকে সুনামগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে আরেক আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান রনি হবিগঞ্জের বাগুনিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার নানার বাড়ি চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি ইউনিয়নে। সে এক চেয়ারম্যান এর ভাগিনা। একটি সুত্র জানায়, উপজেলাটি সীমান্ত এলাকা হওয়ায় আত্মীয়দের সহায়তায় বাল্লা সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে পারে।

এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) জ্যোতির্ময় সরকার বলেন, পুলিশ ধর্ষণ মামলার আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

তাদের নানা বিষয় খোঁজ নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে মাঠে পুলিশের একাধিক টিমও কাজ করে যাচ্ছে।

সিলেট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেন, সিলেট জেলা পুলিশের আওতাধীন সব থানাকে সর্তক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া আসামিরা যাতে সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে পালাতে না পারে, সেজন্য সর্তক থাকতে বলা হয়েছে থানা পুলিশকে।


এই বিভাগের সর্বশেষ

Back to top button
Close